ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ঢাকা

menu

তনু হত্যা মামলায় আরও দুজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ১০:২৮ পিএম

তনু হত্যা মামলায় আরও দুজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ

ফাইল ফটো

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। নতুন করে আরও দুজনের ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত ও তনুর পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তুলনামূলক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। সন্দেহভাজন দুজন হলেন- সাবেক সেনা সদস্য জাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ।

অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ জেলার মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে এবং ফয়সাল আহমেদ রাব্বাী কুমিল্লার রাজাপাড়া লক্ষ্মীনগর গ্রামের এম এ হান্নানের ছেলে। এঁদের মধ্যে জাহিদুলের বিরুদ্ধে ঘটনার শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে তনুর পরিবার। তবে এত দিন পর্যন্ত মামলার নথিপত্রে তার নাম আসেনি। তনু হত্যার সময় জাহিদুল কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।

পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গত ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক সন্দেহভাজন সাবেক সেনা সদস্য জাহিদুল ও রাব্বীর ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ প্রদান করেন। তদন্তের স্বার্থে আমরা আদালেতের কাছে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছেন।

এর আগে এর আগে এ মামলার প্রধান আসামি সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ক্রস-ম্যাচ করা হয়।

এদিকে সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেয় আদালত। সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলম কুয়েতে পালিয়েছেন এবং অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান কোথায় পালিয়েছেন তা জানা যায়নি। আর এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তাঁর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

আওয়াজ নিউজ

banner
Link copied!