চীনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষ করে বেইজিং ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে চলমান টানাপোড়েন কমানোর লক্ষ্যেই এই সফরটি অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকেলে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রেসিডেন্টের বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেয়।
বিমানবন্দরে বিদায়ের সময় ট্রাম্পকে বেশ আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে দেখা যায়। তিনি মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন জানান। এ সময় নীল পোশাক পরিহিত একদল মানুষকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা নেড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষায়, বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক তৈরির নতুন ভিত্তি স্থাপন হয়েছে।
শি জিনপিং বলেন, উভয় দেশই নিজ নিজ জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ— যেখানে ট্রাম্প ‘আমেরিকাকে আবারও মহান’ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, সেখানে তিনি নিজে চীনের পুনর্জাগরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি, বৈঠকে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অন্যদিকে ট্রাম্প তার সফরকে ‘অত্যন্ত সফল ও স্মরণীয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি শি জিনপিংকে ‘পুরোনো বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে তার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করে ট্রাম্প জানান, তিনি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে চান। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্টকে।

