ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের অভিযোগে নতুন করে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এই তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের একটি ট্রাভেল এজেন্সি— ড্রিম হোম ট্রেভলস এন্ড ট্যুরস লিমিটেড।
মঙ্গলবার (৫ মে) যুক্তরাজ্য সরকারের প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইরেগুলার মাইগ্রেশন অ্যান্ড ট্রাফিকিং স্যাংশনস রেগুলেশনস-২০২৫’-এর আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের রাশিয়া -এ পাঠাত এবং পরে তাদের জোরপূর্বক Russian invasion of Ukraine-এ অংশ নিতে বাধ্য করা হতো।
ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভোলাপমেন্ট অফিস-এর তদন্তে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি রাশিয়ার সেবা খাতে আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপন দিলেও বাস্তবে সেখানে পৌঁছানোর পর অনেক বাংলাদেশিকে ভয়াবহ শোষণের মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদেরকে যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে পাঠানো হয়।
নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের যুক্তরাজ্যে থাকা সম্ভাব্য সম্পদ জব্দের নির্দেশও দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আর্থিক ও ভ্রমণসংক্রান্ত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতাও আরোপ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে বিদেশি নাগরিকদের ব্যবহার এবং মানবপাচারের অভিযোগে পশ্চিমা দেশগুলোর নজরদারি এখন আরও কঠোর হচ্ছে। বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ হওয়ায় বিষয়টি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

